ঢাকাবুধবার, ২২শে মে ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
ঢাকাবুধবার, ২২শে মে ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
  1. অন্যান্য
  2. অর্থনীতি
  3. আইসিটি
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আফ্রিকা
  6. ইসলাম
  7. এশিয়া
  8. কলাম
  9. ক্রিকেট
  10. খেলা
  11. চাকরী
  12. জাতীয়
  13. জেলা
  14. জেলা সংবাদ
  15. নিয়োগ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

১৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, চেয়ারম্যান ও এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে

মোঃ মাসুদ রানা. সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি
আগস্ট ২০, ২০২৩ ৩:৪৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

সিরাজগঞ্জের চৌহালীতে নামে-বেনামে প্রকল্প দেখিয়ে এবং গোপন কার্যবিবরণীর মাধ্যমে উপজেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিলের সাড়ে ১৪ লাখ টাকা লোপাটের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক সরকার এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

এই বিষয়ে উপজেলার খাষকাউলিয়া পশ্চিম জোতপাড়া গ্রামের বেলাল হোসেন জেলা প্রশাসক মীর মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (এডিসি শাখা) পরাগ সাহাকে প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন জেলা প্রশাসক। কমিটিকে অভিযোগটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

সিরাজগঞ্জের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অভিযোগ ও অনুসন্ধান সূত্রে জানা গেছে, চৌহালীতে ২০২২-২৩ অর্থবছরে রাজস্ব খাতের সাড়ে ১৪ লাখ টাকা ব্যয়ে আটটি প্রকল্পের কাজ দেখানো হয়েছে। যদিও উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এসি, পর্দা, কম্পিউটারসহ বিভিন্ন সামগ্রী সরবরাহ, ভবন মেরামত এবং পরিচ্ছন্নতার উপকরণ কেনার মতো প্রকল্পের বাস্তবে কোনো অস্তিত্ব নেই।

প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন কমিটিতে বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্যদের নাম দেওয়া হয়। একটি প্রকল্পের সভাপতি হন স্থল ইউপি সদস্য সেলিম মিয়া। অনুসন্ধানে এই নামে কোনো ইউপি সদস্য পাওয়া যায়নি।

স্থল ইউপির আরেক সদস্য ছালমা জাহান ও খাষপুখুরিয়া ইউপি সদস্য নাছিমা খাতুন জানান, প্রকল্পের কথা বলে উপজেলা পরিষদ থেকে চেকে সই নেওয়া হয়েছে। এরপর তাদের সংশ্লিষ্ট প্রকল্প সম্পর্কে আর কিছু জানানো হয়নি।

এ নিয়ে কথা হলে স্থল ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম জানান, স্থল ইউনিয়নে সেলিম মিয়া নামের কোনো ইউপি সদস্য নেই।

ইউপি চেয়ারম্যান বলেন, নিয়ম অনুযায়ী প্রকল্পের কাজ শেষ করে টাকা উত্তোলন করতে হবে। কিন্তু কাজ না করেই টাকা উত্তোলন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত ইউএনও ও বর্তমান এসিল্যান্ড সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আমি অসুস্থ থাকায় ঠিক সময়ে কাজ শেষ করা সম্ভব হয়নি। দ্রুত সব প্রকল্পের কাজ শেষ করা হবে।’

এদিকে অভিযোগগুলো মিথ্যা দাবি করে উপজেলা চেয়ারম্যান ফারুক বলেন, সময়ের স্বল্পতার কারণে জুনের আগে কাজ সমাপ্ত করা যায়নি। এগুলো চলমান রয়েছে। দ্রুতই শতভাগ কাজ বাস্তবায়ন করা হবে।

চৌহালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মাহবুব হাসান বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।